• ১৯ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Barasat

রাজ্য

নথি যাচাইয়ে ব্যস্ত বিচারকরা, কার্যত থমকে গেল বারাসত আদালতের স্বাভাবিক বিচারপ্রক্রিয়া

নথি যাচাইয়ের বিশেষ কাজে ব্যস্ত থাকায় বারাসত আদালতের অধিকাংশ বিচারক আগামী নয় মার্চ পর্যন্ত আদালতে উপস্থিত থাকবেন না বলে জানা গিয়েছে। ফলে স্বাভাবিক বিচারপ্রক্রিয়া কার্যত ধাক্কা খেয়েছে। বারাসত আদালতে মোট পনেরো জন বিচারকের এজলাস বসে। একজন জেলা বিচারক-সহ মোট আট জন অতিরিক্ত জেলা বিচারক নথি যাচাইয়ের কাজে নিযুক্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বাকি বিচারকদের উপরেই সমস্ত আদালতের দায়িত্ব এসে পড়েছে। অর্থাৎ ছয় জন বিচারককে পনেরোটি আদালতের কাজ সামলাতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই এতে বিচার ব্যবস্থায় তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে।আইনজীবীরা জানাচ্ছেন, এই পরিস্থিতিতে মামলাকারীদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। বহু মামলার নিষ্পত্তির সময় ঘনিয়ে এলেও শুনানি পিছিয়ে যাচ্ছে। কোথাও সাক্ষ্য গ্রহণের দিন থাকলেও বিচারক না থাকায় সাক্ষীরা আদালতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। অনেক কষ্টে সাক্ষী হাজির করেও শুনানি না হওয়ায় হতাশা বাড়ছে। মামলাগুলি আবার কবে স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে, তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন আইনজীবীরা।পাবলিক প্রসিকিউটর বিশ্বজিৎ রায় চৌধুরী বলেন, আপাতত নয় তারিখ পর্যন্ত এই সমস্যা চলবে এবং পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। কিছু মামলায় উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকলেও বিচারক অনুপস্থিত থাকায় সেগুলিও এগোচ্ছে না। বিচারকরা যতদিন নথি যাচাইয়ের কাজে ব্যস্ত থাকবেন, ততদিন আদালতে এই অচলাবস্থা চলবে বলেই মত তাঁর।অতিরিক্ত জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর শ্যামলকান্তি দত্ত জানান, নিম্ন আদালতের বহু বিচারক নথি যাচাইয়ের কাজে চলে যাওয়ায় দ্রুত বিচার আদালতগুলিকে একসঙ্গে একাধিক মামলার দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। সেখানে নিজেদের মামলার পাশাপাশি অন্য মামলাও সামলাতে হচ্ছে। ফলে জামিন সংক্রান্ত কাজ ছাড়া অন্য শুনানি প্রায় বন্ধ। বহু মামলার নিষ্পত্তির সময় পার হয়ে গেলেও শুনানি এগোচ্ছে না এবং সাক্ষীরা এসে ঘুরে চলে যাচ্ছেন।এই পরিস্থিতিতে বারাসত আদালত এলাকায় আইনজীবী ও মামলাকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক না হলে মামলার জট আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

বারাসতের সাংসদের দুই ছেলে, মা ও বোনও হিয়ারিংয়ে, ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার

এসআইআর প্রক্রিয়া তাড়াহুড়ো করে করা হচ্ছে বলে প্রথম থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অসন্তোষ। কেন দুই বছরের কাজ মাত্র দুই মাসে করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর থেকেই নানা অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। ডানকুনির পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সূর্য দে-র নামের পাশে মৃত লেখা রয়েছে।এবার এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের মা, ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীকে। একইসঙ্গে বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দুই পুত্র, মা ও বোনকেও শুনানিতে ডাকা হয়েছে। কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, খসড়া তালিকা দেখার সময় দেখা যায়, আমার দুই পুত্রের নাম নেই। হিয়ারিংয়ের জন্য ডাক এসেছে। আমরা রাজনৈতিক পরিবার, কিন্তু সাধারণ মানুষ কীভাবে এই প্রক্রিয়ায় হয়রানির মুখে পড়ছে, তা ভাবলে ভয় লাগে। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ, যাদের যোগাযোগ কম, তারা হিয়ারিংয়ে কী চাইছে তা বুঝতে পারছে না। তাদের জবরদস্তি নাম বাদ দিয়ে বিপদে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমার মা ও বোনও অন্য বুথের ভোটার, তাঁদেরও নাম নেই।তবে ওই বুথের বিএলও কপিল আনন্দ হালদার জানিয়েছেন, সাংসদের পরিবারের সবার নাম খসড়া তালিকায় রয়েছে। হয়তো অন্য কোনও সংশোধনের জন্য ডাকানো হয়েছে। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাল্টা কটাক্ষ করেছে বিজেপি। নেতা সজল ঘোষ বলেন, হেনস্থা করতে চাইলে সাংসদকেই ডাকতো। উনি কি মঙ্গল গ্রহ থেকে এসেছেন? এত মানুষকে ডাকা হয়েছে। তারপরও উনি হেনস্থা হচ্ছে বলছেন।এসআইআর প্রক্রিয়া ও শুনানিতে ডাকার ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গেছে, সাংসদের পরিবারের ওই সদস্যরা এদিন বিডিও অফিসে হাজির হন।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
কলকাতা

বারাসাত মর্গে চোখ উধাও! প্রশাসনিক ব্যর্থতায় ফেটে পড়ল জনরোষ, মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় অবরুদ্ধ

বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দেহ সংরক্ষণ নিয়ে ভয়াবহ গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। মর্গ থেকে এক মৃত ব্যক্তির একটি চোখ উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। অভিযোগ, মৃতদেহ পরিবারকে হস্তান্তর করার সময় দেখা যায় এক চোখ নেই। এরপরেই মৃতের পরিবার চোখ চুরি হয়েছে বলে সোচ্চার হয়। মঙ্গলবার বিকেলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার জেরে প্রায় ১০১৫ মিনিট মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি আটকে পড়ে বলে জানা যায়।ঘটনার সূত্রপাতমালদার বাসিন্দা প্রীতম ঘোষ (৩৪) একটি পথদুর্ঘটনায় মারা যান। নিয়ম অনুযায়ী দেহ পাঠানো হয় বারাসাত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে। দিন কয়েক পর পরিবার দেহ নিতে আসলে তারা দেখে দেহের একটি চোখ নেই। পরিবারের দাবি, দেহ মর্গে পাঠানোর সময় চোখ ঠিক ছিল। দেহ নিতে আসার পর দেখা যায় একটি চোখ উধাও। এটা সাধারণ ভুল নয়, এটা চুরি। পরিবারের অভিযোগে উঠে আসে অঙ্গ পাচার চক্রের সম্ভাবনা। তাদের দাবি, হাসপাতালের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হোক।প্রচণ্ড উত্তেজনা, মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় ঘিরে বিক্ষোভখবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতালের সামনে জটলা বাড়তে থাকে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছিলেন ঠাকুরনগর। ফেরার পথে তাঁর কনভয় ঘটনাস্থল অতিক্রম করার সময় ক্ষুব্ধ পরিবার ও স্থানীয়রা রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখান। মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় থেমে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাকর্মীরা তৎপর হন। মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থামিয়ে নিজে নেমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগ শোনেন এবং সমবেদনা জানান।মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা: পুরো বিষয়টির তদন্ত হবেইবিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এটা অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ। এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। দোষী কেউ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি মৃতের পরিবারের হাতে আর্থিক সাহায্য ও চাকরির প্রতিশ্রুতিও দেন। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, দেহ যেখানে রাখা হয়েছিল, সেখানে ইঁদুরের উৎপাত ছিল। অঙ্গচ্ছেদ ইচ্ছাকৃত চুরি নয়, এটি রোডেন্ট ইনজুরি হতে পারে। তবে পরিবার এই দাবি মানতে নারাজ। তাদের যুক্তি, ইঁদুর হলে কাটা অংশের চিহ্ন থাকত। আমরা যা দেখেছি, তা কোনওভাবেই ইঁদুরের কামড়ের মতো নয়।এদিকে এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক শোরগোল শুরু হয়েছে। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে, সরকারি হাসপাতালের মর্গ কতটা নিরাপদ? অঙ্গ পাচারের সঙ্গে যুক্ত কোনও চক্র সক্রিয় কি না? শাসক শিবিরের দাবি, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। পুলিশ-প্রশাসন জানিয়েছে, মর্গে দেহ রাখা এবং হস্তান্তরের সমস্ত প্রক্রিয়ার ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মর্গের কর্মীদের পরিচয়, ডিউটি লগ, সিসিটিভি ডেটা, সবই পরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও দেহ হস্তান্তর রিপোর্টও পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, মর্গে দেহই যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে কোথায় যাব? সরকারি হাসপাতালের মর্গে দেহ নিরাপদ না হলে সাধারণ মানুষের ভরসা কোথায়? এটা শুধু একটি পরিবারের ঘটনা নয়, পুরো পদ্ধতি নিয়েই প্রশ্ন।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

সাজা ঘোষণার আগেই নিহতের মায়ের ছবি তোলে দোষীর মেয়ে! আতঙ্কে বারাসত আদালত

বারাসত আদালতে সাজা ঘোষণার ঠিক আগেই ঘটে গেল এমন এক ঘটনা, যা নতুন করে আতঙ্ক বাড়িয়ে দিল নিহত স্কুলছাত্রের পরিবারে। খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত এনজার নবীর সাজা ঘোষণা হওয়ার আগেই আদালত চত্বরে নিহত কিশোরের মা ও তাঁর ননদের ছবি তুলে নেয় অভিযুক্তের মেয়ে। তারপর সেই ছবি নাকি পাঠানো হয় আর এক খুনের আসামিকেএই অভিযোগ তুলেই বৃহস্পতিবার জেলার পুলিশ সুপারের কাছে ছুটে যান মৃত কিশোর ফারদিনের মা। পরে বারাসত আদালত এনজার নবীকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের ঘোষণা করে।রায় শোনার পর কান্না চেপে সংবাদমাধ্যমের সামনে কিশোরের মা জানান, তিনি ও তাঁর ননদ আদালত কক্ষে বসে ছিলেন। হঠাৎই দেখেন, এনজারের মেয়ে তাঁদের দুজনের ছবি তুলছে। এরপরই আদালতেরই এক খুনের আসামিকে ছবি পাঠিয়ে দেয় বলে দাবি তাঁর। নিহতের মা বলেন, তাঁর আরেক সন্তান রয়েছে। তাই এই ঘটনা শোনার পর থেকেই চরম আতঙ্কে দিন কাটছে তাঁদের পরিবারের।ফারদিনের পিসি হোসনেআরা বেগমও দাবি করেন, যে ব্যক্তির সঙ্গে ছবিগুলি পাঠানো হয়েছে, সে নাকি মাত্র চার মাসের মধ্যে খুনের মামলা থেকে জেল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে। সেই কারণেই তাঁরা আরও ভয় পাচ্ছেন।এ নিয়ে জেলার পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খরিয়ার স্পষ্ট বক্তব্যএটি অত্যন্ত সংবেদনশীল অভিযোগ। লিখিত অভিযোগ জমা দিলে তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফারদিন খুনের মামলার পটভূমিতেও রয়েছে নৃশংসতার দীর্ঘ ইতিহাস। বারাসতের কাজিপাড়ায় দুই ভাইগোলাম নবী ও এনজার নবীর মধ্যে বহুদিন ধরেই সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ চলছিল। সেই দ্বন্দ্বই চরমে ওঠে তালগাছ কাটা নিয়ে। তার কয়েক দিন পরেই গত ২০২৪ সালের ৯ জুন রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় গোলামের ছেলে, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ফারদিন। পরিবারের চোখের সামনে থেকে উধাও হয়ে যায় সে। চার দিন পর বাড়ির লাগোয়া পরিত্যক্ত বাথরুম থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এরপর নিজের দোষ ঢাকতে এলাকায় ছেলেধরা গুজব ছড়াতে থাকে এনজার নবী। মুহূর্তে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে সেই ভুয়ো খবর। শুধু এলাকাই নয়, সারা জেলাজুড়েও শুরু হয় ছেলেধরা সন্দেহে নানা মারধরের ঘটনা। পরে তদন্তে নামতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য, এবং ১৯ জুন এনজার নবীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার আদালত তাকে এই নৃশংস হত্যার দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে।কিন্তু সাজা ঘোষণার আগেই নিহতের পরিবারের ছবি তোলা এবং তা কোনও অপরাধীর কাছে পাঠানোর অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বারাসত আদালত চত্বরে। পরিবার এখন প্রশ্ন তুলছেএই ঘটনার পিছনে কি নতুন কোনও চক্রান্ত? নাকি ভয় দেখানোর চেষ্টা? উত্তর দেবে তদন্তই।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
রাজ্য

বারাসতে ভয়াবহ আগুন, মুহূর্মুহু বিস্ফোরণের শব্দ, ঘটনাস্থলে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড বারাসাত। বিধ্বংসী আগুনে জ্বলছে বামনমুড়ায় প্যাম্পার্স ফ্যাক্টরি। আগুনের ফলে বন্ধ করা হয়েছে বারাসাত টাকি রোডের যান চলাচলও। প্রথমে স্থানীয় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেও ব্যর্থ। দমকলের ২০টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎই আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায় বারাসাতের বামুনমুড়া এলাকায়। অগুন নজরে আসতেই প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। ২০টি দমকল ইঞ্জিন পৌঁছালেও এখনও পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। গলগল করে ধোঁয়া বের হতে থাকে। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। ব্যাপক ক্ষয়খতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জুন ২১, ২০২৫
রাজ্য

বড়মা মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, প্রশ্নের মুখে পুলিসের ভূমিকা

শহরের একেবারে প্রাণকেন্দ্রে ঐতিহ্যবাহী বড় মা কালী মন্দিরে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল বারাসতো। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এই চুরির ঘটনায় পুলিসি নিরাপত্তা প্রশ্নচিহ্নের মুখে। গোটা ঘটনাটি ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে। আর সেই ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, একটি বারমুডা ও নীল জামা পরে, মাথায় টুপি দেওয়া এক মাঝবয়সী যুবক বড় মা কালী মন্দিরের প্রণামী বাক্স নিয়ে টানাটানি করছে। এরপর মন্দিরের রেলিংয়ের সঙ্গে বাঁধা থাকা প্রণামী বক্সের শিকল ভাঙল। সেই সময় রাস্তা দিয়ে বাইক যাওয়ায় সে আড়াল হতে চলে যায় পাশের গলিতে। এর কয়েক সেকেন্ড পর ফিরে এসে বুকে করে আগলে প্রণামি বক্সটি নিয়ে দৌড় দেয়। সাতসকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই গোটা এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মন্দিরের পুরোহিত বিদ্যাধর সৎপতি বলেন, প্রণামী বাক্সে অনেক টাকা ছিল। সেটি তুলে নিয়ে সব টাকায গায়েব করে দিয়েছে এক দুষ্কৃতী। আর প্রনামী বক্স পড়েছিল পাশের একটি জঙ্গলে। পুলিস এসে তা উদ্ধার করেছে। বারাসাত শহরে মাঝে মধ্যেই চুরির ঘটনা ঘটছে। এবার আমাদের মন্দিরও রেহাই পেল না। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বেড়ছে শহরবাসীর।

মার্চ ২২, ২০২৫
রাজ্য

বারাসত উড়ালপুলের সংস্কারের কাজ শুরু শনিবার থেকে, কোন পথে যাতয়াত, জেনে নিন

আগামী শনিবার, ২৫ জানুয়ারি থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ শুরু হচ্ছে বারাসত উড়ালপুলের। প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার মধ্যরাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত সংস্কারের কাজ চলবে। মূলত উড়ালপুলের পিলারের বল বিয়ারিংয়ের কাজ হবে। কাজ চলাকালীন উড়ালপুল বন্ধ থাকবে। আগামী ৪০ দিন পর্যন্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ করবেন পূর্ত দপ্তরের বারাসত ডিভিশনের ইঞ্জিনিয়াররা। বুধবার মধ্যমগ্রামের দোলতলা পুলিশ লাইনে বিভিন্ন থানার পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ সহ বাস, ট্রাক, অটো, টোটো ইউনিয়নের কর্মীদের নিয়ে সংস্কারের কাজ চলাকালীন বারাসত শহরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বৈঠক করলেন বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্পর্শ নীলাঙ্গি। পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,২৫ জানুয়ারি থেকে প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার রাত ১০ টা থেকে সোমবার ভোর ৩টে পর্যন্ত বারাসত উড়ালপুলের উপর দিয়ে সমস্ত ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অন্যান্য দিন কোন ধরনের ভারী গাড়ি যাতায়াত করতে পারবে না। শুধু যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।প্রায় দুদশকের এই ফ্লাইওভারের একাধিকবার সংস্কারের কাজ হয়েছে। কিন্তু বছর দুই ধরে তেমন কোন সংস্কার হয়নি। ফ্লাইওভারের নিচে প্রচুর হকার ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করেন। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের যাতায়াত চলে। ফলে দুর্ঘটনা রুখতে বারাসতের ফ্লাইওভারের সংস্কার জরুরি হয়ে উঠেছিল। পুলিশ এবং প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসত ফ্লাইওভারের নিচে ৩২ টি পিলার রয়েছে। প্রতিটি পিলারের সঙ্গে রয়েছে বিয়ারিং। মূলত এই বিয়ারিংগুলো সংস্কার করা হবে। ফ্লাইওভারের যে পিলারগুলিতে যেদিন কাজ হবে,সেদিন ওই পিলারের নিচে হকারদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংস্কারের কাজ চলাকালীন শহরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত ব্যবস্থা করেছে বারাসত পুলিশ জেলার কর্তারা।জানা গিয়েছে, টাকি রোড ধরে যে সমস্ত গাড়ি বারাসত ফ্লাইওভার দিয়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে চলে,সেগুলোকে কাচকল মোড় সংলগ্ন দাদার মোড় থেকে ঘুরিয়ে দত্তপুকুর হয়ে জাতীয় সড়কে নিয়ে যাওয়া হবে। আর বনগাঁর দিক থেকে যে সমস্ত গাড়ি বারাসতের উড়ালপুল হয়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে সেগুলো অশোকনগরের বিল্ডিং মোড়ের ডানদিকে ঘুড়িয়ে দেওয়া হবে। বারাসত শহরে না ঢুকিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক গুলো কল্যানী এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে বলেই বারাসত ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এছাড়া বারাসত তিতুমীর বাস স্ট্যান্ড থেকে যে বাসগুলো ব্যারাকপুরে যায়,সেগুলোর জন্য বারাসত ব্যারাকপুর রোডের সত্যভারতী স্কুলের সামনে অস্থায়ী স্ট্যান্ড করা হয়েছে। আর জাগুলিয়ার দিকের বাসের অস্থায়ী স্ট্যান্ড করা হয়েছে ময়নায়। কলোনি মোড় থেকে চাপাডালি মোড়ের অটো এবং টোটো যাতায়াত করবে ১১ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন সন্ধ্যানী ক্লাবের সামনে রাস্তা ধরে।আগামী ফেব্রুয়ারি থেকেই শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। এরপর হবে উচ্চমাধ্যমিক। এই দুই পরীক্ষা যে শনিবার গুলিতে পড়েছে, সেই দিনে পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখেই ফ্লাইওভারের কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে,কাজ চলাকালীন ফ্লাইওভার সংলগ্ন কোন জায়গায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে ফায়ার ব্রিগেড দ্রুততার সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য ডাকবাংলো এবং চাপাডালির ট্রাফিক পুলিশ বিশেষ ব্যবস্থা করবে বলেই জানা গেছে।এই প্রসঙ্গে বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্পর্শ নীলাঙ্গি বলেন, ফ্লাইওভার সংস্কার চলাকালীন শহরের যানজট এড়ানোর জন্যই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। তবুও,যানজট তৈরী হলে সাধারণ মানুষকে বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে দেখার পরামর্শ দিচ্ছি। কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গে যাওয়া যাত্রীবাহী বাস বারাসতের কলোনি মোড় ধরে যাতায়াত করতে পারবে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৫
রাজ্য

বাংলাদেশি নকল পাসপোর্টে সাহায্য়! জাল আধার ও ভোটার কার্ড তৈরির বড় চক্র ফাঁস বারাসতে

ভুয়ো আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড তৈরির অভিযোগে বারাসাত নবপল্লী বয়েজ স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে সমীর দাস নামে এক মুদি দোকান ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করল বারাসাত থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর দীর্ঘদিন ধরে জাল আধার কার্ড তৈরি করে বাংলাদেশীদের পাসপোর্ট পাইয়ে দেওয়ার সহযোগিতা করত এই সমীর দাস। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই ছেলের মধ্যে এক ছেলে পুলিশে কর্তব্যরত এবং অন্য ছেলে ডাক্তার। যে ছেলে পুলিশে রয়েছেন তারই সহযোগিতা নিয়ে বাবা সমীর দাস জাল আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড তৈরি করে বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট তৈরি করে দিত কিনা তারই তদন্ত শুরু করেছে বারাসাত থানার পুলিশ।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৫
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে প্রশাসনিক গাফিলতির প্রতিবাদে "আম্মা"র বিশাল সমাবেশ বারাসতে

আরজি কর হত্যাকাণ্ডে প্রশাসনিক গাফিলতি ও গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিষেবা ঢেলে সাজানোর দাবিতে বারাসতে বিরাট মিছিল করল আম্মা। মিড ডে মিল কর্মীদের সংগঠন AMMA (Association of Midday Meal Assistants), (অভয়া মঞ্চের পক্ষ থেকে) এই প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছিল। তারপর বিশাল সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আম্মার নেতৃত্ব। বারাসতের কাছারি ময়দান থেকে এই মিছিল শুরু হয়।আর জি কর হত্যাকাণ্ডে প্রশাসনিক গাফিলতির প্রতিবাদে এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিষেবা ঢেলে সাজানোর দাবিতে বারাসতে কর্মসূচি নেয় আম্মা। এই কর্মসূচি করতে আপত্তি জানিয়েছিল প্রশাসন। প্রশাসনের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা করা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে । হাইকোর্টের অনুমতিতে এদিন কর্মসূচি পালন করা হয়। মিছিলে বেশ ভিড় হয়েছিল। এর আগে মিড ডে মিল কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে হাজার হাজার মানুষের মিছিলে কলকাতা প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল।Indian Public Health Standard 2022 অনুযায়ী প্রত্যেকটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে গড়ে তুলতে হবে, হাসপাতালে ডাক্তার এবং নার্সের সংখ্যা পর্যাপ্ত হারে বৃদ্ধি করতে হবে, বিনামূল্যে ওষুধের সরবরাহ রাখতে হবে, মাতৃত্বকালীন যোজনার টাকা প্রত্যেক মায়ের হাতে তুলে দিতে হবে, মিড ডে মিল কর্মীদের স্বীকৃতি দিতে হবে, Health on the March নামক স্বাস্থ্য রিপোর্ট প্রতি বছর নিয়মিত প্রকাশ করতে হবে। এই সমস্ত দাবিতে আজকের এই সমাবেশে কয়েক হাজার জমায়েত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন আম্মার পক্ষে নাতাশা খান, শৈলেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, শাওন দাস, অ্যাডভোকেট শামীম আহমেদ, জুবি সাহা। আগামী দিনে ব্লকে ব্লকে এই আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সমাবেশ শেষ হয়।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

আজ ও রবিবার শিয়ালদা ডিভিশনে বারাসত-বনগাঁ শাখায় ট্রেন বাতিল? কি জানাল রেল?

পূর্ব রেলের শিয়ালদা ডিভিশন প্রথমে জানিয়ে ছিল আজ শনিবার ও আগামিকাল রবিবার সেতুর রক্ষণাবেক্ষণের কারণে একাধিক লোকাল ট্রেন বাতিল হতে পারে। কিন্তুু রেল দফতর জানিয়ে দিয়েছে কোনও ট্রেন এই দুদিন বাতিল হচ্ছে না। রেল জানিয়েছে, 29/30.06.2024 (শনিবার / রবিবার) রাতে ব্রিজ রি-গার্ডারিং কাজের জন্য মধ্যমগ্রাম এবং বিরাটির মধ্যে ট্রাফিক ও পাওয়ার ব্লক বাতিল করা হয়েছে। তাই এই ব্লকের কারণে 29.6.2024 এবং 30.6.2024 তারিখে কোনও ট্রেন বাতিল হবে না।এর আগে, পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছিল, শনিবার ২৯ জুন রাত সাড়ে ১০টা থেকে রবিবার ৩০ জুন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত টানা ১২ ঘণ্টা মেরামতির কাজ চলবে মধ্যমগ্রাম এবং বিরাটি স্টেশনের মাঝের একটি রেল সেতুতে। সেই কারনেই বনগাঁ-শিয়ালদণহ হাসনাবাদ-শিয়ালদহ শাখায় আপ এবং ডাউন লাইনে পাওয়ার ব্লক থাকার কারণে ওই দুই শাখার ট্রেন চলাচল ব্যাহত হবে। শনিবার রাতে নির্ধারিত সময়ের পরে ওই শাখার বেশ কয়েকটি ট্রেন শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে না এবং শিয়ালদহ স্টেশনেও প্রবেশ করবে না। এও জানানো হয় যে, বেশ কয়েকটি লোকাল বারাসত স্টেশন অবধি যাতায়াত করবে।শিয়ালদহ স্টেশন বর্ধিতকরন ও মেরামতির জন্য, এর আগে একাধিক ট্রেন বাতিল এবং যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। পূর্ব রেলের হটাৎ এই ঘোষনায় চিন্তায় পড়েছিলেন বনগাঁ, হাসনাবাদ লাইনের নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রায়ই শিয়ালদহ ডিভিশনে কোনও না কোনও মেরামতির কাজ লেগেই রয়েছে। ফলে হঠাৎ করে ট্রেন বাতিলও করে দিচ্ছে রেল। রাতের দিকেই বেশি সমস্যা হচ্ছে। শনিবার রাতে এবং রবিবার ভোরে ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্তে বিরাট অসন্তোষ দেখা গিয়েছিল নিত্যযাত্রীদের মধ্যে।

জুন ২৯, ২০২৪
রাজ্য

কিভাবে ছড়িয়েছে ছেলেধরা গুজব? গ্রেফতার "মাস্টারমাইন্ড", দাবি বারাসাত জেলা পুলিশের

বারাসাতে কাজীপাড়ায় নিখোঁজ বাচ্চার দেহ উদ্ধারের পর ওই বালকের জ্যাঠা আঞ্জীব নবিকে গ্রেফতার করে বারাসাত থানার পুলিশ। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে পুলিশ সুপার ঘোষণা করে এই আঞ্জীব নবী প্রধান ও একমাত্র অভিযুক্ত। যখনই পুলিশ তদন্ত করতে গিয়েছে তখনই পুলিশি তদন্তের অভিমুখ বদলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন রকম ভাবে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। কখনও ছেলেধরা, কখনও কিডনি পাচার নানারকম গুজব নবীর মস্তিষ্কপ্রসূত বলে দাবি বারাসাতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খরিয়ার। পুলিশের দাবি, একই সঙ্গে সে যেহেতু মসজিদে নামাজ পড়াতো সেই নামাজ পড়ানোর পর প্রত্যেককে জানিয়েছে বাইরের লোক দেখলেই মারধর করতে হবে। তাতেই মানুষজন বাইরের লোককে দেখলেই উত্তপ্ত হয়ে মারধর করতে শুরু করে দিয়েছে।ঘটনার দিন সন্ধ্যা ছটা কুড়িতে ওই নিহত বাচ্চা বাড়িতে আসে। কিন্তু তারপর তাকে বাড়ির বাইরে বেরোতে কেউ দেখেনি। ওই এক মুহূর্তের ফাঁকে বাচ্চাকে ডেকে নিয়ে অন্ধকার বাড়ির পেছনে প্রথমে চড় এবং তারপর গলা টিপে খুন করে ওই পরিত্যক্ত বাড়ির মধ্যে ঝুলিয়ে রেখে দেয়। পুলিশ বারবার ওই এলাকায় তদন্ত করতে গেলেও ওই বাড়ি ঝোপঝাড়ে ভরা থাকার কারণে ওই ঝোপঝাঁড়ের মধ্যে তল্লাশি করেনি বলে দাবি পুলিশের সেই কারণেই নজরে আসেনি প্রথমে। বাচ্চার বাবা গোলাম নবী সেইদিন সাড়ে সাতটায় বাড়িতে আসে। তারপর বাচ্চাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয় আটটার পরে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে ৬টা৪৫ থেকে ৭টা৩০ এর মধ্যে ওই বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন অনুযায়ী আঞ্জীব নবী ওই সময় ওই এলাকাতে ছিল। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে আঞ্জীব স্বীকার করেছে ভুল করে কাজ করে ফেলেছে। পরবর্তীতে পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন এই সমস্ত ঘটনা স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশ সুপারের। আঞ্জীব নবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের অনুমান পারিবারিক সম্পত্তির বিবদের কারণেই ওই বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে । আঞ্জীব নবি মূলত মসজিদে আজান দেয়। তাঁর ছোট্ট একটি ব্যাগের দোকান আছে। যা থেকে তাঁর সামান্য রোজগার হয়। কাজীপাড়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করার পর পুকুরপাড়ের একটি তালগাছ আছে তার। যার ফল বিক্রি করে তার একটা বার্ষিক রোজগার হয়। হঠাৎই একদিন আঞ্জীব নবী দেখতে পায় তার ভাই গোলাম নবী সে গাছে লোক তুলে তাল পারছে। তাই নিয়ে তাঁদের মধ্য়ে বিবাদ শুরু। আর সেই বিবাদে ফারদিন আঞ্জীব নবীকে মারতে গেছিল যা আঞ্জীব নবীর এই প্রতিহিংসা ছিল।নিহত বাচ্চার বাবারা মোট সাত ভাই বোন। সকলে খোঁজাখুঁজি করলে ওই আঞ্জীব নবি খোঁজাখুঁজি না করার কারণে পুলিশের সন্দেহ দানা বাঁধে। যেহেতু রোজ আযান দিয়েছে নন্দগরে শ্বশুর বাড়িতে চলে যেত তাই তার মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ধরে পুলিশ দেখে তার গতিবিধি। বারবার মিথ্যা কথা বলা পুলিশকে বিভ্রান্ত করা এবং গুজব ছড়ানো শেষ পর্যন্ত এই কারণগুলোই আঞ্জীব নবীর ধরা পড়ার মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পুলিশ যখন এক প্রকার দিশেহারা তখন ঘুরে তদন্ত শুরু করতে গিয়ে আঞ্জীবকে অভিযুক্ত ভেবে তদন্ত করতে গিয়ে দেখে সব মিলে যাচ্ছে। তবে প্রথম পর্যায়ে পুলিশের যে খানিকটা গাফিলতি ছিল, তা কার্যত মানছেন পুলিশ সুপার।ছেলেধরা গুজবে বারাসাতে দুটি, অশোকনগর, খড়দহে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দ্বেগঙ্গায় ছেলেধরা গুজবে মারধর না করা হলেও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এখনও অবধি যে কটা ঘটনা ঘটেছে তার কোনওটার সঙ্গে ছেলেধরার কোনও সম্পর্ক নেই। সোশাল মিডিয়ায় ভয়ঙ্কর গুজব ছড়িয়েছে। চাকদার এক মহিলা ও বারাসাতের কাজী পাড়ার ভাড়া থাকা দুই মহিলা ছেলেধরা বলে গুজব ছড়িয়েছিল আঞ্জীব নবী। এরা শিশুদের অপহরণ করে দেহের অঙ্গ বিক্রি করে দেয় বলেই সে দাবি করেছিল।

জুন ২৩, ২০২৪
রাজ্য

আপাতত চাকরি ফিরে পাচ্ছে এইচআইভি পজিটিভ শিক্ষক

বিগত কয়েক দিন ধরেই এইচআইভি পজিটিভ শিক্ষকের চাকরি খোওয়ানো নিয়ে বিস্তর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শিক্ষকের এইচআইভি পজিটিভ জানতে পেরেই দীর্ঘ ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়ায় ময়দানে নেমে পড়েছিল সমাজকর্মীরাও। তাঁদের আশঙ্কা ছিল এই ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া মানেই চাকরি কেড়ে নেওয়ার প্রাথমিক প্রক্রিয়া। গর্জে ওঠে সমাজকর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে গতকাল, সোমবার নিউ সেক্রেটারিয়েটে রাজ্যের অ্য়াডমিনিস্ট্রেটর জেনারেল বিপ্লব দত্তের দফতরে দফায় দফায় বৈঠক হয়। অবশেষে জটিতলা কেটেছে। আগামিকাল বারাসতের ওই মানসিকভাবে বিশেষ সক্ষমদের স্কুলে ফের কাজে যোগ দেবেন সৌমিত্রা গায়েন।গত ১২ ফেব্রুয়ারি সৌমিত্র ও সুনীতা শুভ পরণয়ে আবদ্ধ হন। দুজনেই এইচআইভি পজিটিভ। এই খবর জানতে পেরে বারাসত ভিসিয়ন ট্রাস্টের অধীনস্ত ওই বিদ্যালয় কতৃপক্ষ সৌমিত্রকে ছুটিতে যেতে। অভিযোগ, একইসঙ্গে বলা হয় যেদিন কতৃপক্ষ বলবে সেদিন তাঁকে স্কুলে আসতে হবে। বিয়ে করার চার-পাঁচ দিনের মধ্যে চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে সৌমিত্রর। সমাজকর্মী অলোক ঘোষ পুরো বিষয়টি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর জেনারেলকে বিষয়টি জানায়। এরপরই গতকাল, সোমবার দফায় দফায় বৈঠকে বসেন বিপ্লব রায়, সৌমিত্র-সুনীতা, কল্লোল ঘোষ ও স্কুলের পক্ষে ট্রাস্টের চেযারম্যান ডা. রণজিত মন্ডল। দীর্ঘ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয় ফের কাজে যোগ দেবেন সৌমিত্র। স্কুলের অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা ফিরিয়ে আনতে হবে।সমাজকর্মী কল্লোল ঘোষের কথায়, অত্যন্ত অন্যায় কাজ করছেন স্কুল কতৃপক্ষ। একজন এইচআইভি পজিটিভ শিক্ষককে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল কতৃপক্ষ। যাই হোক শেষমেশ তাঁকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্কুল। তবে খেয়াল রাখতে হবে ফের এমন কোনও কান্ড যেন না ঘটে। তাহলেই ফের প্রতিবাদ হবে। এদিকে, মঙ্গলবার বিপ্লব বায় সাংবাদিকদের বলেন, কাজে যোগ দেবে সৌমিত্র। সুনীতাকে মেয়ে হিসাবে মর্যাদা দিয়ে একটি পেন গিফ্ট করেন বিপ্লববাবু। রণজিত মন্ডল বলেন, আমরা ওকে তাড়িয়ে দিইনি। ছুটিতে যেতে বলেছিলাম। কারণ এটা বিশেষভাবে মানসিক সক্ষমদের স্কুল। শিক্ষকের পজিটিভ শুনে অভিভাবকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তবে ও ফের এই স্কুলেই কাজ করবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৩
কলকাতা

JMB-Link man: জেএমবি-কাণ্ডে ধৃত মূল লিঙ্কম্যান

কলকাতায় জেএমবি যোগে গ্রেপ্তার হয়েছে মূল লিঙ্কম্যান (Kolkata JMB)। বারাসত থেকে এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছে তাকে। ধৃতের নাম রাহুল সেন ওরফে লালু সেন।সম্প্রতি কলকাতার হরিদেবপুর থেকে জেএমবি-র যে মডিউল গ্রেপ্তার হয়েছে, তার লিঙ্কম্যান হিসাবে কাজ করত লালু। ধৃত তিন জঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময়ই লালুর নাম উঠে আসে। লালু তাদের লজিস্টিক সাপোর্ট দিত। এই তিন জনের যাবতীয় ভুয়ো নথি অর্থার জাল আধার-ভোটার কার্ড তৈরি করে দেওয়ার ক্ষেত্রে লালুর বড় ভূমিকা ছিল। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা, তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা-সবই করে দিত লালু।আরও পড়ুনঃ রাজস্থান থেকে গ্রেপ্তার আইএসআই চরধৃত ৩ জঙ্গিকে সমস্ত ধরনের আর্থিক সহযোগিতা করত লালু। জানা যাচ্ছে, সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় লালু সেন। নথি ছাড়াই মানুষকে এপার থেকে ওপার পৌঁছে দেওয়া বা সীমান্ত পেরিয়ে বিভিন্ন জিনিসের আদানপ্রদান- এসব করত লালু। সেই সূত্রেই তিন জঙ্গির সঙ্গে তার আলাপ। পরবর্তীকালে তিন জনকে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করেছে লালু। এই চক্রে আরও কে কে জড়িত, আর কার কার নথি লালু তৈরি করেছে, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।এই কাজের জন্যে ধৃতরা প্রত্যেকেই একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলেছিল। বিভিন্ন নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে প্রচার চালানোর জন্য ব্যবহার করা হত একাধিক মোবাইল ফোন। ভুয়ো নথি দিয়ে সিম কার্ড তুলে সেই সব ফোন ব্যবহার করা হত বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এসটিএফের হাতে ধরা পড়ার আগেই ধৃতরা নিজেদের ব্যবহৃত বেশ কিছু মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড সরিয়ে ফেলে। সেই সব মোবাইল ফোন ও সিমকার্ডের হদিশ পেতে চান গোয়েন্দারা।

জুলাই ১৫, ২০২১
কলকাতা

Cyber Crime: পুলিশকর্তার মেয়েকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতার ছেলে

পুলিশকর্তার মেয়ের ছবি দিয়ে নেটমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগে বারাসত থেকে গ্রেপ্তার করা হল তৃণমূল নেতার ছেলেকে। ধৃতের নাম অর্কদীপ কুণ্ডু। তাঁর বাবা দীপক কুণ্ডু উত্তরপাড়া-কোতরং পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কো-অর্ডিনেটর।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতখোদ পুলিশকর্তার মেয়ের মোবাইল নম্বর এবং ছবি ব্যবহার করে নেটমাধ্যমে অর্কদীপ আপত্তিকর পোস্ট করেছিল বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ ওঠে, ওই কাণ্ডের পর থেকে এই রাজ্য তো বটেই, ভিনরাজ্য, এমনকী, অন্য দেশের নম্বর থেকেও ফোন করে বিরক্ত করা হয় ওই তরুণীকে। তরুণীর দাবি, ফোন করে এবং মেসেজ পাঠিয়ে তাঁকে কুরুচিকর মন্তব্যও করা হয়। তার জেরে গত ১২ জুন বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার প্রায় এক মাসের মাথায় শনিবার রাতে বারাসতের নবপল্লির একটি আবাসনে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম বিভাগ এবং বারাসত থানার পুলিশ যৌথভাবে হানা দেয়। ওই আবাসনেই অর্কদীপ আত্মগোপন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ১১, ২০২১
রাজনীতি

জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবেঃ কৈলাস বিজয়বর্গীয়

ধর্মের কারণে অত্যাচারের শিকার হয়ে যাঁরা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে এদেশে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু করবে মোদী সরকার। জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, শনিবার বারাসতে আর নয় অন্যায় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এমনই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তিনি আরও বলেন, মোদি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সেটা তারা অবশ্যই পালন করবে। রাজ্য সরকার বিরোধিতা করলেও নাগরিকত্ব দেওয়া থেকে আটকে রাখতে পারবে না। জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার শুধু ৩০ শতাংশ মানুষকে নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে। বাকি ৭০ শতাংশ মানুষের দিকে তাকাচ্ছেই না। আরও পড়ুন ঃ পূর্ব মেদিনীপুরের দুই ব্লক সভাপতিকে সরিয়ে দিল তৃ্ণমূল নেতৃত্ব কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই কৃষকদের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার চলছে। সিন্ডিকেট রাজ চলছে এখানে। কৃষকদের উপর শোষণ চলছে। বাংলার কৃষকরা সবচেয়ে বেশি শোষিত। এই তৃণমূল সরকারের উপর রাজ্যবাসী নারাজ। বাংলার মানুষের সমর্থনে আছে বিজেপি। তাঁর কথায়, এই সরকারের উপর মন্ত্রীরাও নারাজ। বর্ষীয়ান নেতারা অসন্তুষ্ট। শুভেন্দু-ই তার উদাহরণ। পাশাপাশি তাঁর আরও দাবি, সংখ্যালঘুরাও বাংলায় তৃণমূল সরকারের উপর নারাজ। কারণ কেউ দুর্নীতি, ভ্রষ্টাচারকে সমর্থন করে না। এছাড়াও তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করেন। হাতে হাতে লিফলেট দিয়ে সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

কেন্দ্রে এখন ফেক নিউজের সরকার চলছেঃ কাকলি

বাংলায় এখন শান্তি ফিরেছে। বিজেপি বাংলার সংস্কৃতি মানে না। বহিরাগত ইস্যুতে এবার সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপিকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এদিন তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, বাংলার সম্মান, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে অপমান করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও তিনি বলেন , কেন্দ্রীয় সরকারের উদাসীনতা এবং ভুল নীতিতেই করোনার প্রকোপ ক্রমশ বেড়েছে। যখন আমরা সংসদে এ নিয়ে জানুয়ারিতে বলেছিলাম, তখন আমাদের বলা হয়েছিল বাচ্চাদের মতো কথা বলবেন না, বসে পড়ুন। লকডাউনে অসংখ্য দিনমজুর মারা গিয়েছে। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনেই ৯০ জন অভিবাসী মারা গিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। লকডাউনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে এগিয়ে এসেছে রাজ্য সরকার। সেই জায়গায় অভিবাসী শ্রমিকদের কথা ভাবেনি কেন্দ্রীয় সরকার। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ফেক নিউজের সরকার। মিথ্যাচার করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে। ২০২১ বিধানসভা ভোটে রাজ্যের ক্ষমতা দখলে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি। যা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না বলে উল্লেখ করে কাকলি বলেন, দেশে এখন ভয়ানক পরিস্থিতি চলছে। ভারতে দলিতদের উপর অত্যাচার চলছে। দলিতরা সুরক্ষিত নয়। দেশে নারীসুরক্ষা তলানিতে। গণপিটুনি চলছে। ধর্মের নামে ভাগাভাগি চলছে। অন্যদিকে , এদিন সকালে অর্জুন সিং শুভেন্দুকে বিজেপিতে স্বাগত জানিয়েছেন। সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, অর্জুন সিং কি শুভেন্দু অধিকারীর মুখপাত্র ? শুভেন্দু অধিকারী দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা । একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

একবার সুযোগ দিন , বাংলাকে গুজরাত বানিয়ে দেবঃ দিলীপ

জ্যোতিপ্রিয় কোথায় দাঁড়াবেন শুধু বলুন। যে কেন্দ্রেই দাঁড়াবেন, ওঁকে হারিয়ে দেব। ওঁকে আর মানুষ চায় না। সোমবার রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রীকে এভাবেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার বারাসতের কলোনি মোড়ে চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এদিন দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, এক বার সুযোগ দিন। আমরা বাংলাকে গুজরাত বানাবো। যাতে বাংলার মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে গুজরাতে না যেতে হয়। দিদিমনির পাপের বোঝা বাংলাকে বইতে হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ সন্ত্রাসবাদীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বাংলাঃ দিলীপ তাঁর অভিযোগ , তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের কোনও পরিবর্তন হয়নি। যা কিছু হয়েছে শুধুমাত্র দিদির ভাই আর ভাইপোর হয়েছে। কেন্দ্র কৃষকের জন্য প্রকল্প নিয়েছে । সারা দেশের কৃষক সেই প্রকল্পের সুযোগ পাচ্ছে। বঞ্চিত হচ্ছে শুধুমাত্র এ রাজ্যের কৃষকরা। বাংলা জুড়ে দাঙ্গার রাজনীতি করছে তৃণমুল। বাদুড়িয়া, বসিরহাট,মালদহ,আসানসোল সর্বত্র দাঙ্গা হয়েছে এই তৃণমূলের শাসনে ৷ মুর্শিদাবাদে প্রচুর জঙ্গিও তৈরি হচ্ছে। রাজ্যে আল কায়দা ঘাঁটি গেড়েছে । আর এই সবই হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁচলের তলায়। তিনি কিছুই করছেন না। এছাড়াও উদ্বাস্তু অধ্যুষিত উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় দাঁড়িয়ে ফের নাগরিকত্ব আইনে সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আমফানের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আবার কেন্দ্র টাকা দিয়েছে। সেটাও মানুষের কাছে আদৌ পৌঁছবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন , কেন্দ্রের পাঠানো টাকা যাতে মানুষের কাছে পৌছয় , তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে নজরদারি করতে হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের বদলে চিনের দিকে মোড় নিল ইরানের তেলবাহী জাহাজ! মাঝসমুদ্রে কী ঘটল?

হরমুজ প্রণালী পেরোনোর পর মাঝসমুদ্রে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করল ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ। ভারতের দিকে আসতে আসতেই সেটি ঘুরে চিনের দিকে চলে যায়। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পিং শান নামে ওই জাহাজটি একটি বড় তেলবাহী জাহাজ। প্রথমে এটি ভারতের পশ্চিম উপকূলে ভাদিনার বন্দরের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু পরে আচমকাই দিক বদলে দক্ষিণ দিকে ঘুরে চিনের একটি বন্দরের দিকে যেতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত জাহাজটি কোথায় পৌঁছবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।প্রায় সাত বছর পর ইরান থেকে ভারতের উদ্দেশে তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে এই পরিবর্তনে সেই সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।জানা গেছে, জাহাজটিতে প্রায় ছয় লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সালের পর এটি ভারতের জন্য প্রথম ইরানি তেলের চালান হতে পারত।২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে। সেই সময় আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দেওয়ায় আবার তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অর্থ লেনদেন, পরিবহণ এবং বিমা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সেই প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, এই তেল ভাদিনার একটি রিফাইনারিতে পৌঁছবে। কিন্তু এখন সেই পরিকল্পনা বদলে গেছে।একসময় ভারত ইরানের অন্যতম বড় তেল ক্রেতা ছিল। দেশের মোট তেল আমদানির একটি বড় অংশই ইরান থেকে আসত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পরে সেই সম্পর্ক পুরোপুরি থেমে যায়।এই পরিস্থিতিতে মাঝসমুদ্রে জাহাজের দিক পরিবর্তন নতুন করে নানা প্রশ্ন তুলেছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার স্পষ্ট উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে বেরিয়ে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেলেন পরিচালক উৎসব?

বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ পরিচালক উৎসব মুখোপাধ্যায়। শুক্রবারও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের মধ্যে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিভিন্ন থানায় খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি রেল পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মোবাইলের শেষ অবস্থান উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছে ধরা পড়েছে। তারপর থেকেই ফোন বন্ধ হয়ে যায়।পরিচালকের স্ত্রী মৌপিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিমতার একটি ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন উৎসব। সেখানে একটি পুরনো অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার কথা ছিল। দুপুর দুইটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ তাঁদের শেষবার কথা হয়। তারপর থেকেই আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি।তিনি আরও জানান, নিজের মোবাইল বাড়িতে রেখে বাবার ফোন নিয়ে বেরিয়েছিলেন উৎসব। ব্যাঙ্কের কাজের জন্য ওটিপি আসার কথা ছিল বলে নিজের ফোন বাড়িতেই রেখেছিলেন।মৌপিয়ার দাবি, কিছুদিন ধরে সাইবার সংক্রান্ত সমস্যায় চিন্তিত ছিলেন উৎসব। সেই কারণে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও দূরে ছিলেন। পরিবার থেকে তাঁকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।ফোন নম্বরের অবস্থান খতিয়ে দেখে জানা গেছে, শেষবার সেটি উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছেই সক্রিয় ছিল। তারপর হঠাৎই সেটি বন্ধ হয়ে যায়।পরিবারের দাবি, কারও সঙ্গে বিশেষ কোনও বিরোধ ছিল না উৎসবের। তিনি সাধারণত নিজের মতোই থাকতেন এবং বিনোদন জগতের আড্ডা বা পার্টি থেকে দূরে থাকতেন। এখনও পর্যন্ত কোনও হুমকির ফোনও আসেনি বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে এবং পরিচালকের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ফের ইডির ডাকে হাজির রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী! জমি দুর্নীতিতে বাড়ছে চাপ

জমি দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির দফতরে হাজির হলেন দেবাশীষ কুমার। এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এবার তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই তিনি দফতরে পৌঁছন (TMC Candidate)।রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিধায়ক দেবাশীষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Candidate), জাল নথির সাহায্যে সরকারি ও বেসরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল এবং তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন (TMC Candidate)।এর আগে গত ত্রিশে মার্চ তিনি কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনও তাঁকে জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় (TMC Candidate)।শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময় তিনি দফতরে পৌঁছন এবং তারপরই জেরা শুরু হয় (TMC Candidate)।সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তদন্তেই দেবাশীষ কুমারের নাম সামনে আসে। এরপরই তাঁকে তলব করা হয়।জানা গেছে, বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিতে দেবাশীষ কুমারের নাম পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলেও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! দাগী নেতাদের নিরাপত্তা এক ঝটকায় তুলে নিল কমিশন

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কড়া হল নির্বাচন কমিশন। অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে এমন নেতাদের আর নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার কমিশন জানতে চেয়েছে, সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না।কমিশন সম্প্রতি রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা ও কমিশনারেট থেকে নিরাপত্তা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পদবীসহ পূর্ণ তালিকা চেয়েছিল। এরপর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যাঁরা জামিনে মুক্ত বা প্যারোলে আছেন, কিংবা যাঁদের অপরাধমূলক অতীত রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। শুধুমাত্র পদ বা সম্ভাব্য হুমকির অজুহাতে নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।এই নির্দেশ অনুযায়ী দুই এপ্রিল রাতের মধ্যেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার কমিশন সেই কাজ হয়েছে কি না, তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। রাজ্য পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের শুক্রবার দুপুর বারোটার মধ্যে আপডেট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাবশালী নেতার নিরাপত্তা আপাতত তুলে নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে যাঁরা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আগামী দশ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, প্রতিটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মাধ্যমে এমন এলাকা চিহ্নিত করতে হবে যেখানে অশান্তির সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি, গত নির্বাচনে যারা কোনও অপরাধে জড়িত ছিল, সেই দুষ্কৃতীদেরও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড় কড়াকড়ি! রাজ্য জুড়ে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, অমান্য করলেই গ্রেফতার

ভোট শুরু হতে এখনও প্রায় কুড়ি দিন বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে মঙ্গলবার যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাতেও তদন্তের দায়িত্ব জাতীয় সংস্থাকে দিতে হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জমায়েত করা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যেতে হলেও আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এছাড়াও বিএলও রক্ষা কমিটি মঞ্চকেও কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা আবার কোনওভাবে মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেনশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।গত মঙ্গলবার ফর্ম ছয় সংক্রান্ত বিষয়ে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে উপস্থিত অন্য দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, বুধবার মালদহে সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় কমিশনের দিকে ঠেলেছেন। অন্যদিকে কমিশন রাজ্যের পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই দ্রুত রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

পালাতে গিয়ে ধরা! কালিয়াচক হিংসায় মূল অভিযুক্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

কালিয়াচকের (Kaliachak Violance) ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার ইতিমধ্যেই নিন্দা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। এর মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকের বিশাল জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল (Kaliachak Violance)। সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, কালিয়াচকের ঘটনায় মালদহ জেলায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে (Kaliachak Violance)। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে।তিনি জানান, ধৃত ব্যক্তি ইটাহার থানার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন আইনজীবী। পুলিশের দাবি, তিনিই মূলত উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই প্রমাণ মিলেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় নাম রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Kaliachak Violance)।বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং কারা কারা এই উত্তেজনা ছড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারে এবং ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal